দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের নানা নির্দেশনার মধ্যেই সরকারি প্রতিষ্ঠানের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)-র কয়েকজন কর্মকর্তার এমন কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নেসকোর ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দাস গভীর রাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নগরীর অলোকার মোড়ে অবস্থিত কাশি বাবুর চায়ের দোকানে চা পান করতে যান। সেখানে তার সঙ্গে বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী অ্যাডিশনাল ডাইরেক্টর, (সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার) (এসই) গবিন্দ চন্দ্র সাহাকেও দেখা যায়। চা পান শেষে সুব্রত দাস নিজেই নেসকোর রাজ মেট্র-ঠ ১১-১১৯ নম্বরের একটি পিকআপ গাড়ি চালিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।
এ ঘটনার আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নেসকোর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) রহমউল্লাহ আল হেলালিকেও একটি সুরমা কালার প্রাইভেট কারে করে অলোকার মোড়ে অবস্থিত শাহজালাল ব্যাংকের এটিএম বুথে টাকা তুলতে আসতে দেখা যায়। কাজ শেষে তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
ভিডিও দুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—সরকার যেখানে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে নির্দেশনা জারি করেছে, সেখানে সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করা কতটা যৌক্তিক।
এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এরই মধ্যে দেশে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের খবর পাওয়া যাচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, এমন পরিস্থিতিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। সরকারি সম্পদ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
প্রকৌশলী সুব্রত দাস বলেন, “এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এ সংক্রান্ত তথ্য বা বক্তব্য জানতে হলে সংশ্লিষ্ট হেড অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।”
এদিকে নেসকোর নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) আবু হায়াত রহমতুল্লাহ বলেন, গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা আছে। এ ব্যাপারে কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেসকোর কোনো কর্মকর্তা ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে থাকেন এ ধরনের প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বলেও জানান তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নেসকোর ডিভিশন-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দাস গভীর রাতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নগরীর অলোকার মোড়ে অবস্থিত কাশি বাবুর চায়ের দোকানে চা পান করতে যান। সেখানে তার সঙ্গে বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী অ্যাডিশনাল ডাইরেক্টর, (সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার) (এসই) গবিন্দ চন্দ্র সাহাকেও দেখা যায়। চা পান শেষে সুব্রত দাস নিজেই নেসকোর রাজ মেট্র-ঠ ১১-১১৯ নম্বরের একটি পিকআপ গাড়ি চালিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।
এ ঘটনার আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নেসকোর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) রহমউল্লাহ আল হেলালিকেও একটি সুরমা কালার প্রাইভেট কারে করে অলোকার মোড়ে অবস্থিত শাহজালাল ব্যাংকের এটিএম বুথে টাকা তুলতে আসতে দেখা যায়। কাজ শেষে তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
ভিডিও দুটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—সরকার যেখানে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে নির্দেশনা জারি করেছে, সেখানে সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করা কতটা যৌক্তিক।
এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এরই মধ্যে দেশে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনের খবর পাওয়া যাচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, এমন পরিস্থিতিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। সরকারি সম্পদ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি ব্যয় কমানোর উদ্যোগ প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
প্রকৌশলী সুব্রত দাস বলেন, “এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। এ সংক্রান্ত তথ্য বা বক্তব্য জানতে হলে সংশ্লিষ্ট হেড অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।”
এদিকে নেসকোর নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) আবু হায়াত রহমতুল্লাহ বলেন, গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা আছে। এ ব্যাপারে কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেসকোর কোনো কর্মকর্তা ব্যক্তিগত কাজে সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে থাকেন এ ধরনের প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বলেও জানান তিনি।
স্টাফ রিপোর্টার